দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৯ আসনে এগিয়ে তৃণমূল
দি নিউজ লায়নঃ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পনেরো টি আসনের মধ্যে ছয় টি আসনে সাতাশে মার্চ নির্বাচন হয়েছে। আগামী পয়লা এপ্রিল বাকি নয়টি আসনে নির্বাচন হবে।ওই নয় টি আসনের মধ্যে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ছয় টি আসনে ও তিনটি আসনে বিজেপি এগিয়ে ছিল। তার পর খড়গপুর সদর বিধান সভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনে বিজেপিকে ধরাশায়ী করে তৃনমূলের প্রদীপ কুমার সরকার বিপুল ভোটে জয়লাভ করে।
তবে ওই নয়টি বিধানসভা আসনে বিজেপি জয় লাভ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, সারাষ্ট্রমন্ত্রী,একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী,বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি, উত্তরপ্রদেশের ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, অভিনেতা মিঠুন,দিলীপ ঘোষ,শুভেন্দু অধিকারী সহ এক ঝাঁক অভিনেতা ও অভিনেত্রী কে বিজেপি প্রচারে এনেছিল।তৃনমূলের হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা দেব,মিমি,নুসরত জাহান,সাংসদ সৌগত রায়, সাংসদ শতাব্দী রায়, যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য্য, সুদীপ রাহা,সুজাতা মণ্ডল খাঁ সহ দলের অন্যান্য নেতারা প্রচার করেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে প্রচারের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। আগামী পয়লা এপ্রিল ওই নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। তাই ওই কেন্দ্র গুলিতে জয়ের ব্যাপারে ১০০% আশাবাদী তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অজিত মাইতি বলেন বিজেপি যতই চিৎকার করুক, যতই তৃনমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করুক, তৃণমূল কংগ্রেস এই নয়টি আসনে জয়লাভ করবে এবং যে ছয় টি আসনে ভোট হয়েছে তাতেও তৃনমূলের প্রার্থীরা জয়লাভ করবে।
তাই এই নির্বাচনী প্রচার এর শেষ লগ্নে উন্নয়নকে হাতিয়ার করে জোর কদমে প্রচার করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি চমক দিলেও তাদের সভায় মানুষের উপস্থিতি কম ছিল। তাই মানুষ তৃণমূলের পাশে রয়েছে বলে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি জানান ।কারণ তিনি বলেন মানুষ বিনা পয়সায় স্বাস্থ্যপরিসেবা পাচ্ছে ,মেয়েরা কন্যাশ্রী পাচ্ছে,ছেলেরা সবুজসাথী প্রকল্পের সাইকেল পাচ্ছে ,মানুষ বিনা পয়সায় চাল পাচ্ছে ,তাই মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে রয়েছে। বিজেপি যতই চিৎকার করুক না কেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না। গতবারের চেয়ে বেশি আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস তৃতীয়বার বাংলায় ক্ষমতায় আসবে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Post a Comment